1. jfjoy24@gmail.com : admin :
  2. wordpressdefaults@gmail.com : defaults :
"আমার দুটি চোখ বিক্রি করেন তাও সন্তানকে বিক্রি করবেন না" | তিস্তা সংবাদ
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১২:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের বিরুদ্ধে পিস্তল উঁচিয়ে প্রতিবেশীকে হুমকি, (জিডি) নথিভুক্ত পীরগাছায় উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত গঙ্গাচড়ায় শেখ হাসিনা সেতুর কার্পেটিংয়ে ফাটল, ভারী যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা রংপুরে মরিচক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মর*দেহ উদ্ধার রংপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে ঈদ ক্রিকেট ফেস্টিভ্যালের পুরুষ্কার বিতরণ ঈদে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর আলী বাবা থিম পার্ক বিনোদন কেন্দ্র বিষাক্ত সাপ রাসেলস ভাইপার আতঙ্ক, বন বিভাগের ৭ পরামর্শ দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে রাজকীয় সংবর্ধনা তিস্তায় নৌকাডুবি: দ্বিতীয় দিনের অভিযান শেষ, এক পরিবারের ৪ জনসহ এখনও নিখোঁজ ৬

“আমার দুটি চোখ বিক্রি করেন তাও সন্তানকে বিক্রি করবেন না”

প্রতিনিধি
  • আপডেট রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২

 

 

রংপুরে নবজাতক পাচারের অভিযোগে ক্লিনিকের পরিচালক সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

চিকিৎসার বিল পরিশোধের জের ধরে নগরীর হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক এমএস রহমান রনির বিরুদ্ধে নবজাতককে চল্লিশ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ করেন এক প্রসুতি। পরে পুলিশ নবজাতক উদ্ধার সহ ক্লিনিকের পরিচালক এস এম রহমান রনি(৫৮),নবজাককে ক্রয় চেষ্টার রুবেল হোসেন রতন(৩০) ও জেরিনা আক্তার বিথিকে(৩০) গ্রেফতার করেছে।

রোববার উপ পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এতথ্য জানান।

পুলিশ জানায়,চিকিৎসার বিল না দিতে পারায় নবজাতক বিক্রির জন্য ক্লিনিকের পরিচালক রনি চাপ দেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই প্রসূতি।পরে রোববার(২১ জানুয়ারি) নগরীর পীরজাবাদ এলাকা থেকে নবজাতকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরো জানায়,গ্রেফতার রনি নিজেকে পল্লী চিকিৎসক বলে পরিচয় দিতেন।গ্রেফতার রতন ও বিথির কাছে নবজাতক বিক্রির জন্য ওই প্রসূতিকে জোর করে থাকে। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামীকে টাকার লোভ এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজী করায় অভিযুক্তরা।

 

এদিকে ওই প্রসূতি অভিযোগ করে বলেন,হাসপাতালের বিল দিতে না পারায় তারা বিভিন্নভাবে চাপ দিতে থাকে সন্তান বিক্রি করার জন্য কিন্তু আমি রাজি হইনি।পরে তাদের অনুরোধ করেছিলাম আমার দুই চোখ ও কিডনি বিক্রি করে হলেও তাদের বিল পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম। তারপরেও আমার সন্তানকে বিক্রি করে দেয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ। পরে থানায় অভিযোগ জানাই।অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তারা এমন করেছে।

 

 

উল্লেখ্য,ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী আকরাম হোসেন টাকা নিয়ে পলাতক রয়েছে।তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় পুলিশ।বর্তমানে ওই প্রসূতি ও নবজাতক পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আপনার স্যোসাল মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | তিস্তা সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun