1. jfjoy24@gmail.com : admin :
  2. wordpressdefaults@gmail.com : defaults :
বেরোবিতে এক যুগ পেরিয়ে গেলেও শেষ করতে পারেনি স্বাধীনতা স্মারকের কাজ | তিস্তা সংবাদ
সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রেসিডেনসিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী নি*হত পুলিশ–ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে কোটা আন্দোলনকারী বেরোবির এক শিক্ষার্থী নিহ*ত রংপুরে জেলা যুবলীগের অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত রংপুর সদর দলিল লেখক সমিতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত রংপুরে প্রবাস বন্ধু ফোরামের ত্রি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত এবার জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনে সুন্দরবনের মধু রমেকে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেয়া সেই ফাতেমার মৃ*ত্যু পীরগাছায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে থানার এস আই আনিছুর রহমান কে বিদায় সংবর্ধনা ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট সংস্কারপন্থী মাসুদ পেজেশকিয়ান সৎ বাজার এরশাদ মার্কেটের দোকানদারদের পক্ষে অবহিতকরণ ও মানববন্ধন

বেরোবিতে এক যুগ পেরিয়ে গেলেও শেষ করতে পারেনি স্বাধীনতা স্মারকের কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪
  • ৩০

উত্তরবঙ্গের জ্ঞানের বাতিঘর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়য়ের, রংপুর (বেরোবি) মূল ফটক দিয়ে ঢুকে হাতের বাম পাশে তাকাতেই চোখে পড়ে জরাজীর্ণ ও শ্রীহীন স্বাধীনতা স্মারক।

কাজ শুরুর প্রায় একযুগ হলেও নির্মাণকাজ শেষ হয়নি এই স্থাপনাটির। তবুও ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের, অসম্পূর্ণ এই স্বাধীনতা স্মারকের খোঁজ নেয়া হয় শুধুমাত্র বিভিন্ন দিবসে ফুল ও শ্রদ্ধাঞ্জলি দেয়ার সময়ে।

বেশি দমে খেজুর বিক্রি

নানা অব্যবস্থাপনা ও অবহেলায় স্বাধীনতা স্মারক চত্ত্বর যেন হয়ে উঠেছে বহিরাগতদের আনাগোনার স্থল, মাদক গ্রহণের নির্ভরযোগ্য স্থান ও অসামাজিক কাজের আতুরঘর। সন্ধা হলেই বহিরাগতরা এখানে আসে বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ ঘটাতে যেটা সাধারণ শিক্ষার্থীরা মেনে নিতে পারছে না।

জানা গেছে, ২০১২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা স্মারকের ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য দ্বিতীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবদুল জলিল মিয়াকে ২০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করে জনতা ব্যাংক। পরের বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে যোগ দেন অধ্যাপক ড. এ. কে .এম নুরুন্নবী। তিনি স্থাপনাটির নির্মাণ কাজ শুরুর লক্ষ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ওই বছরের ২৮ নভেম্বর। কিছুদিন কাজ চলার পরে নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকে দীর্ঘদিন। পরে স্বাধীনতা স্মারকের কাজ সম্পন্নের জন্য সরকারিভাবে এক কোটি ৬ লাখ টাকার বাজেট পায় বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালে যোগদান করেন অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ এবং তিনিই সে বছর পুনরায় স্বাধীনতা স্মারকের নির্মাণকাজ শুরু করেন। তবে সে সময়েও কাজ শেষ না হওয়ার আগেই আবার বন্ধ হয়ে যায় নির্মাণকাজ।বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদ ২০২১ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও স্বাধীনতা স্মারকের নির্মাণকাজ পুনরায় শুরুর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দক্ষিণে, অস্থায়ী শহীদ মিনারের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অসম্পূর্ণ স্বাধীনতা স্মারকটি।

প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, স্থাপনাটির মূল স্তম্ভ থাকবে তিনটি। যার মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘটির উচ্চতা ৫৫ ফুট। পরের দুটির উচ্চতা হবে ৩৫ ও ২৫ ফুট করে এবং এসব স্তম্ভ নির্মিত হবে ১১ হাজার ৬৯৬ বর্গফুট আয়তনের বেদির উপর। মার্বেল পাথর দিয়ে মেঝে নির্মিত হবে এবং স্তম্ভের গায়ে থাকবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও পোড়ামাটির শিল্পকর্ম এবং পাশের দেয়ালগুলোয় থাকবে টাইলস দিয়ে নির্মিত বিভিন্ন জনের প্রতিকৃতি বা ম্যুরাল।

তবে বর্তমানে স্থাপনাটির নির্মাণ কাজে তিনটি স্তম্ভ দাঁড় করানোসহ কিছু কাজ হলেও করা হয়নি স্তম্ভের গায়ের পোড়ামাটির কারুকার্য শোভিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিসহ অন্যান্য শিল্পকর্ম, মেঝেতে বসানো হয়নি মার্বেল পাথর, দেয়ালে নির্মিত হয়নি টাইলস দিয়ে নির্মিত প্রতিকৃতি। এছাড়াও স্থাপনাটির দুপাশে মাটি দিয়ে ভরাট কাজও হয়নি।তাছাড়া স্তম্ভগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় যত্নের অভাবে গায়ে শ্যাওলা পরে বর্ণহীন ও বিশ্রী হয়ে আছে।

প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এবং অযত্নে পড়ে থাকার ফলে সেখানে দিনদিন বাড়ছে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যক্রম। সন্ধ্যা হলেই সেখানে চলে মাদকসেবনের মেলা। তাছাড়া বিকেলে গড়ালেই সেখানে টোকাই ও বহিরাগতদের আড্ডাখানায় রূপ নেয় স্থানটি। যার ফলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এমন অযত্ন, অব্যবস্থাপনার ফলেই দিনদিন মর্যাদা হারাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই স্থাপনাটি।

এবিষয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সোহেল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একক পরিচয় বহন করে, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আমাদের জানতে উজ্জীবিত করে কিন্তু এই স্থাপনাটির এমন অবস্থা যে বোঝা যায় না এটা আসলে স্থাপনা নাকী অন্যকিছু, স্থাপটির নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন দেখলে গর্বিত বোধ করতাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকের কাজ বন্ধ ও কাজ কবে নাগাদ শুরু হতে পারে সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের সহকারী প্রকৌশল কমলেশ চন্দ্র সরকার বলেন, স্বাধীনতা স্মারক নির্মাণকাজে ইউজিসি ও মন্ত্রিপরিষদ থেকে আমাদের বরাদ্দ কোনো প্রকার লিখিত না দিয়ে মৌখিকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। অনেকটা রোষানলের মুখে পড়েছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রানের দাবি তারা দ্রুত এর সমাধান চায় এবং সেই সাথে বহিরাগত টোকাইদের অসামাজিক কার্যকলাপের থেকে স্থান টির সুরক্ষার জন্য এর নির্মান কাজ সম্পুর্ন করার দাবি জানায়।

আপনার স্যোসাল মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | তিস্তা সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun