1. jfjoy24@gmail.com : admin :
  2. wordpressdefaults@gmail.com : defaults :
চিকিৎসার টাকা নেই, পেটে ছুরি চালিয়ে রিকশাচালকের আত্মহত্যা | তিস্তা সংবাদ
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পীরগাছা থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক – ৪ সারাদেশে ৩ দিনের হিট অ্যালার্ট জারি স্বর্ণ চুরির অপবাদ দিয়ে কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম ছ্যাঁকা বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের দেয়াল ভেঙে ভেতরে বাস, প্রাণ গেল প্রকৌশলীর দেশে প্রতিদিন সড়কে প্রাণ হারাচ্ছেন ১৬ জনের বেশি সমবায় কৃষি নিশ্চিত হলে দেশে কখনো খাদ্যাভাব হবে না: প্রধানমন্ত্রী পীরগাছায় প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত এমপি-মন্ত্রীর স্বজনদের উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে আ.লীগের নির্দেশনা মেরিনা তাবাশ্যুম: টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, ১৭ মামলার আসামি ধরা

চিকিৎসার টাকা নেই, পেটে ছুরি চালিয়ে রিকশাচালকের আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪
  • ১৩

স্ত্রী মঞ্জিলা বেগম ও দুই ছেলে মেয়ে নিয়ে রাজধানীর হাতিরঝিলের মধুবাগের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন রিকশাচালক জয়নাল আবেদীন (৪৫)। অভাবের সংসারে ৪ বছর আগে হার্টের রোগ ধরা পড়ে তার। নিজে রিকশাচালিয়ে ও স্ত্রী অন্যের বাসায় কাজ করে সংসার চালানোর পাশাপাশি এতদিন নিজের চিকিৎসা করাতেন জয়নাল। অবশেষে চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে না পেরে পেটে ছুরি ঢুকিয়ে আত্মহত্যা করেন জয়নাল।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত আটটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মরদেহ রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বেশি দমে খেজুর বিক্রি

নিহতের স্ত্রী মঞ্জিলা বেগম জানান, আমার স্বামী রিকশা চালাতেন। চার বছর আগে হার্টের রোগ ধরা পড়ে তার। আমি বাসা বাড়িতে কাজ করি। আমার এক মেয়ে এক ছেলে। মেয়েটি একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। ছেলেটির বয়স পাঁচ বছর। আমরা গরিব মানুষ। হার্টের রোগের চিকিৎসা করাতে অনেক টাকা পয়সা লাগে। আমার স্বামী এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কোনো কাজই করতে পারত না। আমাদের মা-মেয়ের সামান্য এই টাকায় সংসার চলত। অভাবের সংসারে খুব কষ্ট করে দিন চলে আমাদের। স্বামীর হার্টের রোগের চিকিৎসার জন্য এত টাকা পয়সা আমাদের নেই। তাই কখনো আমরা তার জন্য ওষুধ কিনে দিতে পারতাম, আবার অনেক সময় পারতাম না।

 

তিনি আরও জানান, আজ সন্ধ্যার পর শরীরের ব্যথায় আমার স্বামী কাতর হয়ে পড়ছিলেন। কিন্তু টাকা না থাকায় তার জন্য ওষুধ আনতে পারিনি। এই কষ্টে আমার স্বামী নিজের পেটে চাকু চালিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। পরে আমরা এই অবস্থা দেখে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। পরে এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রাতের দিকে মারা যায়।

তাদের গ্রামের বাড়ি রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার ইসলামপুরে বলেও জানান তিনি।

আপনার স্যোসাল মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | তিস্তা সংবাদ.কম
Theme Customization By NewsSun